← সকল সূরা

ইয়াসীন - يس

পুরো সূরা ইয়াসীন শুনুন

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

অনুবাদ ৩৬:১ ইয়া-সীন।

অনুবাদ ৩৬:২ প্রজ্ঞাপূর্ণ কুরআনের শপথ,

অনুবাদ ৩৬:৩ নিশ্চয় তুমি রাসূলদের একজন,

অনুবাদ ৩৬:৪ সরল সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত।

অনুবাদ ৩৬:৫ এটি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ,

অনুবাদ ৩৬:৬ যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পারো যাদের পূর্বপুরুষদের সতর্ক করা হয়নি, ফলে তারা উদাসীন।

অনুবাদ ৩৬:৭ নিশ্চয় তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে সেই বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছে, কাজেই তারা ঈমান আনবে না।

অনুবাদ ৩৬:৮ নিশ্চয় আমি তাদের গলায় বেড়ি পরিয়ে দিয়েছি, যা চিবুক পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ফলে তাদের মাথা উঁচু হয়ে আছে।

অনুবাদ ৩৬:৯ আর আমি তাদের সামনে একটি প্রাচীর এবং পেছনে আরেকটি প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর তাদের ঢেকে দিয়েছি, ফলে তারা দেখতে পায় না।

১০

অনুবাদ ৩৬:১০ আর তাদের জন্য সমান, তুমি তাদের সতর্ক করো বা না করো, তারা ঈমান আনবে না।

১১

অনুবাদ ৩৬:১১ তুমি তো শুধু তাকেই সতর্ক করতে পারো যে উপদেশ অনুসরণ করে এবং অদৃশ্যে দয়াময়কে ভয় করে। কাজেই তাকে ক্ষমা ও সম্মানজনক প্রতিদানের সুসংবাদ দাও।

১২

অনুবাদ ৩৬:১২ নিশ্চয় আমিই মৃতদের জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠিয়েছে ও যা রেখে গেছে তা লিপিবদ্ধ করি। আর প্রতিটি বিষয় আমি একটি স্পষ্ট গ্রন্থে গণনা করে রেখেছি।

১৩

অনুবাদ ৩৬:১৩ আর তাদের জন্য একটি জনপদের অধিবাসীদের উদাহরণ পেশ করো, যখন সেখানে রাসূলরা এসেছিলেন।

১৪

অনুবাদ ৩৬:১৪ যখন আমি তাদের কাছে দুজন প্রেরণ করলাম, তারা তাদের মিথ্যা মনে করল, ফলে আমি তৃতীয় একজন দিয়ে শক্তি জুগিয়ে দিলাম। তারা বলল, 'নিশ্চয় আমরা তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি।'

১৫

অনুবাদ ৩৬:১৫ তারা বলল, 'তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ ছাড়া আর কিছু নও, আর দয়াময় কোনো কিছু নাযিল করেননি। তোমরা শুধু মিথ্যাই বলছ।'

১৬

অনুবাদ ৩৬:১৬ তারা বলল, 'আমাদের প্রতিপালক জানেন, আমরা নিশ্চয় তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি।

১৭

অনুবাদ ৩৬:১৭ আর আমাদের দায়িত্ব তো শুধু স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া।'

১৮

অনুবাদ ৩৬:১৮ তারা বলল, 'আমরা তোমাদের অশুভ লক্ষণ মনে করছি। যদি তোমরা বিরত না হও, তবে আমরা তোমাদের অবশ্যই পাথর মেরে হত্যা করব এবং আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি স্পর্শ করবে।'

১৯

অনুবাদ ৩৬:১৯ তারা বলল, 'তোমাদের অশুভ লক্ষণ তোমাদের সাথেই রয়েছে। যদি তোমাদের উপদেশ দেওয়া হয় তবুও কি এমন করবে? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।'

২০

অনুবাদ ৩৬:২০ আর নগরের প্রান্ত থেকে দৌড়ে এলো একজন লোক, সে বলল, 'হে আমার সম্প্রদায়, রাসূলদের অনুসরণ করো,

২১

অনুবাদ ৩৬:২১ তাদের অনুসরণ করো যারা তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চায় না, আর যারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।

২২

অনুবাদ ৩৬:২২ আর আমার কী হলো যে, আমি তাঁর ইবাদত করব না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাঁরই কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন?

২৩

অনুবাদ ৩৬:২৩ আমি কি তাঁকে ছেড়ে অন্য কোনো ইলাহ গ্রহণ করব? দয়াময় যদি আমার কোনো ক্ষতি করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ আমার কোনো উপকারে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না।

২৪

অনুবাদ ৩৬:২৪ তাহলে আমি অবশ্যই স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পড়ে যাব।

২৫

অনুবাদ ৩৬:২৫ নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছি, কাজেই আমার কথা শোনো।'

২৬

অনুবাদ ৩৬:২৬ তাকে বলা হলো, 'জান্নাতে প্রবেশ করো।' সে বলল, 'হায়, আমার সম্প্রদায় যদি জানত,

২৭

অনুবাদ ৩৬:২৭ কীভাবে আমার প্রতিপালক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন!'

২৮

অনুবাদ ৩৬:২৮ আর তার পর তার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমি আকাশ থেকে কোনো বাহিনী নাযিল করিনি, আর নাযিল করারও প্রয়োজন ছিল না।

২৯

অনুবাদ ৩৬:২৯ তা তো ছিল শুধু একটি প্রচণ্ড শব্দ, ফলে তখনই তারা নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

৩০

অনুবাদ ৩৬:৩০ হায় আফসোস বান্দাদের জন্য! তাদের কাছে যে রাসূলই এসেছেন, তাকে নিয়েই তারা বিদ্রূপ করেছে।

৩১

অনুবাদ ৩৬:৩১ তারা কি দেখেনি তাদের আগে কত মানবগোষ্ঠীকে আমি ধ্বংস করেছি, যারা তাদের কাছে আর কখনো ফিরে আসবে না?

৩২

অনুবাদ ৩৬:৩২ আর তাদের প্রত্যেককেই একত্র করে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে।

৩৩

অনুবাদ ৩৬:৩৩ আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন হলো মৃত ভূমি, আমি তাকে জীবিত করি এবং তা থেকে শস্য বের করি, যা থেকে তারা খায়।

৩৪

অনুবাদ ৩৬:৩৪ আর আমি সেখানে খেজুর ও আঙুরের বাগান সৃষ্টি করেছি এবং সেখানে প্রস্রবণ প্রবাহিত করেছি,

৩৫

অনুবাদ ৩৬:৩৫ যাতে তারা তার ফল খেতে পারে, আর এতে তাদের হাতের কোনো ভূমিকা নেই। তবু কি তারা কৃতজ্ঞ হবে না?

৩৬

অনুবাদ ৩৬:৩৬ পবিত্র সেই সত্তা, যিনি সব জোড়া সৃষ্টি করেছেন—যা যমীন উৎপন্ন করে তা থেকে, আর তাদের নিজেদের মধ্য থেকে, আর যা তারা জানে না তা থেকেও।

৩৭

অনুবাদ ৩৬:৩৭ আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন হলো রাত, আমি তা থেকে দিনকে খসিয়ে ফেলি, ফলে তখনই তারা অন্ধকারে পতিত হয়।

৩৮

অনুবাদ ৩৬:৩৮ আর সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলমান। এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।

৩৯

অনুবাদ ৩৬:৩৯ আর চন্দ্রকে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারণ করে দিয়েছি, শেষে তা পুরনো খেজুর শাখার মতো বাঁকা হয়ে ফিরে আসে।

৪০

অনুবাদ ৩৬:৪০ না সূর্যের সাধ্য আছে চন্দ্রকে ধরে ফেলার, আর না রাত দিনকে অতিক্রম করতে পারে। আর প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে।

৪১

অনুবাদ ৩৬:৪১ আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন হলো, আমি তাদের বংশধরদের বোঝাই নৌযানে বহন করেছি,

৪২

অনুবাদ ৩৬:৪২ আর তাদের জন্য এর অনুরূপ আরও যানবাহন সৃষ্টি করেছি, যাতে তারা আরোহণ করে।

৪৩

অনুবাদ ৩৬:৪৩ আর আমি ইচ্ছা করলে তাদের ডুবিয়ে দিতে পারি, তখন তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না এবং তাদের রক্ষাও করা যাবে না,

৪৪

অনুবাদ ৩৬:৪৪ তবে আমার পক্ষ থেকে দয়া ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ ছাড়া।

৪৫

অনুবাদ ৩৬:৪৫ আর যখন তাদের বলা হয়, 'তোমরা যা তোমাদের সামনে আছে এবং যা তোমাদের পেছনে আছে তা থেকে সতর্ক থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয়', তখন তারা তা উপেক্ষা করে।

৪৬

অনুবাদ ৩৬:৪৬ আর তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনসমূহের মধ্য থেকে যে নিদর্শনই তাদের কাছে আসে, তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়েই নেয়।

৪৭

অনুবাদ ৩৬:৪৭ আর যখন তাদের বলা হয়, 'আল্লাহ তোমাদের যা দিয়েছেন তা থেকে ব্যয় করো', তখন কাফিররা মুমিনদের বলে, 'আমরা কি তাকে খাওয়াব যাকে আল্লাহ ইচ্ছা করলে নিজেই খাওয়াতেন? তোমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছ।'

৪৮

অনুবাদ ৩৬:৪৮ আর তারা বলে, 'যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে এই প্রতিশ্রুতি কখন পূর্ণ হবে?'

৪৯

অনুবাদ ৩৬:৪৯ তারা শুধু একটি প্রচণ্ড শব্দেরই অপেক্ষা করছে, যা তাদের পাকড়াও করবে যখন তারা পরস্পর বিতর্কে লিপ্ত থাকবে।

৫০

অনুবাদ ৩৬:৫০ তখন তারা কোনো ওসিয়ত করারও সুযোগ পাবে না, আর নিজেদের পরিবারের কাছেও ফিরে যেতে পারবে না।

৫১

অনুবাদ ৩৬:৫১ আর শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তখনই তারা কবর থেকে তাদের প্রতিপালকের দিকে দ্রুত ছুটে যাবে।

৫২

অনুবাদ ৩৬:৫২ তারা বলবে, 'হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদের ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলল?' এটাই তো তা যার প্রতিশ্রুতি দয়াময় দিয়েছিলেন, আর রাসূলরা সত্যই বলেছিলেন।

৫৩

অনুবাদ ৩৬:৫৩ তা তো হবে শুধু একটি প্রচণ্ড শব্দ, ফলে তখনই তাদের সবাইকে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে।

৫৪

অনুবাদ ৩৬:৫৪ কাজেই আজকের দিনে কারো প্রতি বিন্দুমাত্র অন্যায় করা হবে না, আর তোমরা যা করতে তারই প্রতিদান পাবে।

৫৫

অনুবাদ ৩৬:৫৫ নিশ্চয় জান্নাতবাসীরা আজকের দিনে আনন্দে ব্যস্ত থাকবে,

৫৬

অনুবাদ ৩৬:৫৬ তারা ও তাদের সঙ্গিনীরা ছায়ায় সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকবে।

৫৭

অনুবাদ ৩৬:৫৭ সেখানে তাদের জন্য থাকবে ফলমূল, আর তারা যা চাইবে তা-ই।

৫৮

অনুবাদ ৩৬:৫৮ 'সালাম'—পরম দয়ালু প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি বাণী।

৫৯

অনুবাদ ৩৬:৫৯ আর হে অপরাধীরা, আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও।

৬০

অনুবাদ ৩৬:৬০ হে বনী আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে, তোমরা শয়তানের ইবাদত কোরো না, নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু?

৬১

অনুবাদ ৩৬:৬১ আর আমারই ইবাদত করো, এটাই সরল সঠিক পথ।

৬২

অনুবাদ ৩৬:৬২ আর সে তো তোমাদের মধ্য থেকে বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল। তবু কি তোমরা বুঝতে না?

৬৩

অনুবাদ ৩৬:৬৩ এটাই সেই জাহান্নাম, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেওয়া হতো।

৬৪

অনুবাদ ৩৬:৬৪ তোমরা যে কুফরি করতে তার কারণে আজ এতে প্রবেশ করো।

৬৫

অনুবাদ ৩৬:৬৫ আজ আমি তাদের মুখে মোহর মেরে দেব, আর তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা সাক্ষ্য দেবে তারা যা করত তার।

৬৬

অনুবাদ ৩৬:৬৬ আর আমি ইচ্ছা করলে তাদের চোখ মুছে দিতে পারতাম, তখন তারা পথের দিকে ছুটত, কিন্তু কীভাবে তারা দেখতে পেত?

৬৭

অনুবাদ ৩৬:৬৭ আর আমি ইচ্ছা করলে তাদের অবস্থানেই তাদের রূপান্তরিত করে দিতে পারতাম, তখন তারা না এগিয়ে যেতে পারত, আর না ফিরে যেতে পারত।

৬৮

অনুবাদ ৩৬:৬৮ আর যাকে আমি দীর্ঘায়ু দিই, তার সৃষ্টি-অবস্থা আমি উল্টে দিই। তবু কি তারা বুঝবে না?

৬৯

অনুবাদ ৩৬:৬৯ আর আমি তাকে কবিতা শেখাইনি, আর এটা তার জন্য শোভনও নয়। এটা তো শুধু একটি উপদেশ এবং স্পষ্ট কুরআন,

৭০

অনুবাদ ৩৬:৭০ যাতে সে সতর্ক করতে পারে তাকে, যে জীবিত, আর যাতে কাফিরদের বিরুদ্ধে সেই বাণী সত্য প্রমাণিত হয়।

৭১

অনুবাদ ৩৬:৭১ তারা কি দেখে না, আমার হাতে তৈরি জিনিসের মধ্য থেকে আমি তাদের জন্য গবাদিপশু সৃষ্টি করেছি, ফলে তারা তার মালিক?

৭২

অনুবাদ ৩৬:৭২ আর আমি তা তাদের অধীন করে দিয়েছি, ফলে তাদের কিছু তারা বাহন হিসেবে ব্যবহার করে, আর কিছু তারা খায়।

৭৩

অনুবাদ ৩৬:৭৩ আর তাদের জন্য তাতে আরও উপকার ও পানীয় রয়েছে। তবু কি তারা কৃতজ্ঞ হবে না?

৭৪

অনুবাদ ৩৬:৭৪ আর তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য ইলাহ গ্রহণ করেছে, যাতে হয়তো তাদের সাহায্য করা হয়।

৭৫

অনুবাদ ৩৬:৭৫ তারা তাদের সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে না, বরং তারাই তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা এক বাহিনী।

৭৬

অনুবাদ ৩৬:৭৬ কাজেই তাদের কথা যেন তোমাকে দুঃখিত না করে। তারা যা গোপন করে ও যা প্রকাশ করে তা আমি জানি।

৭৭

অনুবাদ ৩৬:৭৭ মানুষ কি দেখে না, আমি তাকে একফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছি, অথচ সে এখন প্রকাশ্য বিতর্ককারী?

৭৮

অনুবাদ ৩৬:৭৮ আর সে আমার জন্য উদাহরণ পেশ করে, অথচ নিজের সৃষ্টির কথা ভুলে যায়। সে বলে, 'হাড় পচে গেলে তা কে জীবিত করবে?'

৭৯

অনুবাদ ৩৬:৭৯ বলো, 'তিনিই তা জীবিত করবেন যিনি প্রথমবার তা সৃষ্টি করেছিলেন, আর তিনি সব সৃষ্টি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত,

৮০

অনুবাদ ৩৬:৮০ যিনি তোমাদের জন্য সবুজ গাছ থেকে আগুন তৈরি করেছেন, ফলে তোমরা তা দিয়ে আগুন জ্বালাও।'

৮১

অনুবাদ ৩৬:৮১ যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন তিনি কি তাদের মতো সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? হ্যাঁ অবশ্যই, আর তিনিই মহাস্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।

৮২

অনুবাদ ৩৬:৮২ তিনি যখন কোনো কিছু ইচ্ছা করেন, তখন তাঁর নির্দেশ শুধু এটাই যে, তিনি তাকে বলেন, 'হও', ফলে তা হয়ে যায়।

৮৩

অনুবাদ ৩৬:৮৩ কাজেই পবিত্র সেই সত্তা, যাঁর হাতে সব কিছুর সার্বভৌম কর্তৃত্ব, আর তাঁরই কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন করা হবে।

ইদগাম / গুন্নাহ ইখফা / ইকলাব কালকালাহ মদ্দ মদ্দ লাজিম নীরব হরফ
আরবি
বাংলা